স্পোর্টস ডেস্ক , বিডিমিরর সেভেনটিওয়ান ডটকম:
নির্ধারিত সময়ের শেষ ভাগ পর্যন্ত ম্যাচটি ছিল সমতায়। তবে ইনজুরি টাইম শেষ হওয়ার মাত্র এক মিনিট আগে গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লি গোল করেন। এ নাটকীয় গোলে ২-১ ব্যবধানে জাপানকে হারিয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে ব্রাজিল।
ম্যাচের শুরু থেকেই বলের দখলে আধিপত্য ছিল ব্রাজিলের। প্রথমার্ধের বড় একটি সময় তারা প্রায় ৭৫ শতাংশ বল নিয়ন্ত্রণে রেখে একের পর এক আক্রমণ চালায়। গিমারায়েস, কুনহা, ভিনিসিয়ুস জুনিয়র ও পাকেতা একাধিক সুযোগ তৈরি করলেও গোলের দেখা পায়নি সেলেসাওরা। অন্যদিকে জাপান নিজেদের রক্ষণভাগ শক্ত রেখে সুযোগের অপেক্ষায় ছিল।
২৯তম মিনিটে সে সুযোগই কাজে লাগায় জাপান। মাঝমাঠে দানিলোর কাছ থেকে বল কেড়ে নিয়ে দ্রুত এগিয়ে যান সানো। কাসেমিরোকে পেছনে ফেলে বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া তার দুর্দান্ত ডান পায়ের শট পোস্টের নিচের কোণ ঘেঁষে জালে জড়ালে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় জাপান।
গোল হজমের পরও আক্রমণের ধার বজায় রাখে ব্রাজিল। তবে মারকুইনহোস, ভিনিসিয়ুস ও কুনহার প্রচেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায় পিছিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
দ্বিতীয়ার্ধে বদলি হিসেবে এন্দ্রিককে নামিয়ে আক্রমণে আরও গতি আনে ব্রাজিল। বিরতির পর একের পর এক আক্রমণে জাপানের রক্ষণভাগকে চাপে ফেলে তারা। ৫২তম মিনিটে গিমারায়েসের হেড দুর্দান্তভাবে রুখে দেন গোলরক্ষক সুজুকি। এরপর ৫৫তম মিনিটে কাসেমিরোর হেড গোললাইন থেকে ফিরিয়ে দেন তোমিয়াসু।
তবে পরের মিনিটেই আর ভুল করেননি কাসেমিরো। কাছ থেকে পাওয়া সুযোগ কাজে লাগিয়ে সমতায় ফেরান ব্রাজিলকে। গোল শোধের পর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে নেয় তারা।
সমতা ফেরানোর তিন মিনিট পরই ভিনিসিয়ুস জুনিয়র অসাধারণ একক নৈপুণ্যে জাপানের রক্ষণভাগ ভেঙে শট নিলেও বল পোস্টে লেগে ফিরে আসে। এরপর এন্দ্রিক, ভিনিসিয়ুস ও রায়ানের একাধিক প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয় জাপানের গোলরক্ষক সুজুকির দুর্দান্ত সেভ এবং রক্ষণভাগের দৃঢ়তায়।
নির্ধারিত সময়ের শেষ দিকে আরও একটি আক্রমণ থেকে কর্নার আদায় করলেও সেখান থেকেও গোল পায়নি ব্রাজিল। ম্যাচ যখন ড্রয়ের দিকেই এগোচ্ছিল, তখন ইনজুরি টাইমের শেষ মুহূর্তে নায়ক হয়ে আবির্ভূত হন গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লি। তার জয়সূচক গোলে ২-১ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে ব্রাজিল এবং জায়গা করে নেয় শেষ ষোলোতে।







