নিউজ ডেস্ক,বিডিমিরর সেভেনটিওয়ান ডটকমঃ
ইরানের কেশম দ্বীপে মার্কিন হামলার পর একটি আবাসিক ভবনের ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়া লোকদের জন্য তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ওই ভবনে পাঁচ সদস্যের একটি পরিবার বসবাস করত। কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন, এর আগে ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার করে দুই শিশুকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। হরমুজগান গভর্নরেটের ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট (সংকট ব্যবস্থাপনা) বিভাগের মহাপরিচালক রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি-কে জানিয়েছেন, ওই পরিবারের বাকি তিন সদস্যকে উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।
হরমুজগান গভর্নরেটের ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট (সংকট ব্যবস্থাপনা) বিভাগের মহাপরিচালক রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি-কে বলেন, ‘এই পরিবারের আরও তিন সদস্যকে উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।’
এছাড়া দ্বীপটিতে বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেখা দেওয়ায় সরবরাহ পুনরুদ্ধারে জোরেশোরে কাজ করছেন কর্মকর্তারা।
এই হামলাগুলো মূলত উপসাগর এবং হরমুজ প্রণালি সংলগ্ন ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশগুলোতে কেন্দ্রীভূত। এটি যুক্তরাষ্ট্রের চালানো ১৩ দিনের সামরিক অভিযানেরই ধারাবাহিকতা।
কেশম বাদে কিশ দ্বীপেও হামলা চালানো হয়েছে, তবে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে সেখানে যাত্রীবাহী ফেরি পারাপার বা বন্দরের কার্যক্রমে কোনো বিঘ্ন ঘটেনি। অন্যদিকে বন্দর আব্বাসে শোনা যাওয়া বিস্ফোরণের শব্দগুলো খোদ শহরের ওপর হামলার কারণে ছিল না, বরং সেগুলো ছিল কেশম দ্বীপে চালানো হামলার প্রতিধ্বনি।
মধ্য ইরানের ফার্স হলো একমাত্র উপকূলহীন প্রদেশ যেখানে হামলা চালানো হয়েছে। এ অঞ্চলে হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল কাজরুন শহর। এছাড়া ইরানের তেল শিল্পের প্রাণকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত খুজেস্তান প্রদেশের অন্তত তিনটি স্থানে হামলা হয়েছে।
সূত্র: আল-জাজিরা







