সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬ ৬:১৬ পূর্বাহ্ণ
■ ৩রা আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এপস্টেইনকে নিয়ে এবার মুখ খুললেন ট্রাম্প

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Print
ছবি অনলাইন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক , বিডি মিরর সেভেনটি ওয়ান ডটকম

জেফরি এপস্টেইনের লাখ লাখ নথি প্রকাশের পর নতুন করে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে মার্কিন রাজনীতিতে। সম্প্রতি মার্কিন বিচার বিভাগ এই তদন্তের সমাপ্তি ঘোষণা করলেও বিষয়টি এতো সহজে মিটে যাবে বলে মনে হচ্ছে না। 

খোদ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দেশবাসীকে এই বিতর্ক পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বৃটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

সম্প্রতি ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল টড ব্ল্যাঞ্চ স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, কংগ্রেসের নির্দেশনায় পরিচালিত দীর্ঘ পর্যালোচনার পর নতুন কোনো মামলা করার মতো পর্যাপ্ত তথ্যপ্রমাণ মেলেনি। বিপুল পরিমাণ ই-মেইল, ছবি ও নথিপত্র হাতে থাকলেও সেগুলো কাউকে নতুন করে অভিযুক্ত করার জন্য যথেষ্ট নয়।

কিন্তু বিচার বিভাগের এই নথিতে সন্তুষ্ট নয় মার্কিন প্রতিনিধি সভা। রিপাবলিকান আইন প্রণেতারা এই ইস্যুতে সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটনকে তলব করেছেন। আগামী ফেব্রুয়ারিতে তাদের সাক্ষ্য দেয়ার কথা রয়েছে। এমনকি সাক্ষ্য দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার ব্যবস্থা নেয়ারও হুমকি দেওয়া হয়েছে।

ছবি অনলাইন

হোয়াইট হাউসে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে জানান বলেন, প্রকাশিত নথিতে তার বিরুদ্ধে আপত্তিকর কিছুই পাওয়া যায়নি। এখন সময় এসেছে এসব বাদ দিয়ে অন্য কাজে মনোযোগ দেয়ার।

বিশ্লেষকরা বলছেন, প্রেসিডেন্টের এই দাবি পুরোপুরি নির্ভুল নয়। প্রকাশিত নথিতে ট্রাম্পের নাম ছয় হাজারেরও বেশিবার এসেছে। যদিও নব্বইয়ের দশকের পর তাদের সম্পর্কের অবনতি হয়েছিল বলে ট্রাম্প দাবি করেন। কিন্তু ২০১১ সালে এপস্টেইনের লেখা একটি ইমেল নতুন করে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। ওই ইমেলে এপস্টেইন লিখেছিলেন যে, ট্রাম্পের বিষয়টি এখনো জনসমক্ষে আসেনি।

শুধু রাজনৈতিক ব্যক্তিরাই নন এই নথির কারণে বিপাকে পড়েছেন বিশ্বের প্রভাবশালী অনেক ব্যবসায়ী ও ব্যক্তিত্ব। বিল গেটস এবং ইলন মাস্কের মতো ধনকুবেরদের এই নথিতে তাদের নামের উপস্থিতির বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে হয়েছে। এ ছাড়া ব্রিটিশ রাজপরিবারের সাবেক সদস্য অ্যান্ড্রু মাউন্টব্যাটেন-উইন্ডসর এবং ল্যারি সামারসের মতো ব্যক্তিরা ইতোমধ্যেই তাদের এপস্টাইন সংযোগের কারণে সামাজিক ও পেশাগতভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

খবরটি শেয়ার করতে নিচের বোতামগুলিতে ক্লিক করুন।

আরও খবর

বিভাগীয় সংবাদ