নিউজ ডেস্ক , বিডিমিরর সেভেনটিওয়ানডটকম : উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার ঢাকা–রংপুর মহাসড়ক চার লেনে সম্প্রসারিত হওয়ায় আসন্ন ঈদযাত্রায় সিরাজগঞ্জের মহাসড়কে যানজট ও ভোগান্তি থাকবে না। ইতিমধ্যেই যমুনা সেতুর পশ্চিমপাড় মহাসড়কে নির্মিত ১১টি উড়ালসেতু এবং হাটিকুমরুল এক্সচেঞ্জের সার্ভিস রোড চালু হয়েছে।
হাইওয়ে পুলিশ ও সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগ জানায়, গত সময়ে এই মহাসড়কে তীব্র যানজটের কারণে ঘরমুখী যাত্রীরা সমস্যায় পড়তেন। তবে এবার বিভিন্ন নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও সড়ক সংস্কারের ফলে ঈদযাত্রা হবে স্বস্তিদায়ক।
হাইওয়ে পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সাধারণ সময়ে যমুনা সেতুর মাধ্যমে প্রতিদিন উত্তরের ১৬টি ও দক্ষিনের ৬টি জেলায় প্রায় ১৫–১৬ হাজার যানবাহন পারাপার হয়। ঈদে গাড়ির সংখ্যা কয়েকগুণ বেড়ে যাওয়ায় দীর্ঘ যানজট তৈরি হত। এবার পুলিশ ইতোমধ্যেই প্রস্তুতি সম্পূর্ণ করেছে, ফলে ঘরমুখী মানুষের ঈদযাত্রা হবে এক দশকের মধ্যে সবচেয়ে স্বস্তিদায়ক।
দূরপাল্লার বাস চালক আব্বাস এবং সুপারভাইজার সাদ্দাম হোসেন জানান, “মহাসড়কে এবার যানজটের আশঙ্কা নেই। পূর্বের মতো ঢিলছোঁড়া বা চাঁদাবাজি এখন নেই, পুলিশ বিশেষ টহল চালাচ্ছে।”
হাটিকুমরুল হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি ইসমাইল হোসেন বলেন, “এবারের ঈদুল ফিতরের যাত্রা উত্তরের জন্য স্বস্তিদায়ক হবে। মহাসড়কে যানবাহনের চাপ থাকলেও যানজট হবে না। জেলা পুলিশ ও সড়ক বিভাগে সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক হয়েছে। অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদ ও বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।”
সিরাজগঞ্জ সওজ নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ ইমরান ফারহান সুমেল জানান, মহাসড়ক সংস্কার ও অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদ কাজ শেষ হয়েছে। এছাড়া সাসেক-২ প্রকল্প ব্যবস্থাপক মাহবুবুর রহমান বলেন, “চারলেন মহাসড়ক ও সার্ভিস রোড চালু হওয়ায় এবার ঘরমুখী মানুষ স্বস্তিতে ফিরতে পারবেন। আমরা জেলা পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ এবং সড়ক বিভাগসহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠক করেছি।”
সিরাজগঞ্জ পুলিশ সুপার মোঃ সাইফুল ইসলাম সানতু জানান, মহাসড়ক এখন যানজটমুক্ত। এক হাজার ছয়শো পুলিশ সদস্য মোতায়েন রয়েছে। কোন যানবাহন বিকল হলে তা দ্রুত সরিয়ে যানজট রোধ করা হবে। সবমিলিয়ে এবার উত্তরের ঈদযাত্রা হবে সবচেয়ে স্বস্তিদায়ক।







