সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬ ৬:১৪ পূর্বাহ্ণ
■ ৩রা আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বদহজম, গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা বা ক্লান্তি এড়াতে কী করবেন

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Print
ছবি অনলাইন

 

লাইফস্টাইল ডেস্ক , বিডিমিরর সেভেনটিওয়ান ডটকম:

সারাদিন রোজা থেকে ইফতারের মুহূর্তে যে কোন রোজদারের জন্য আনন্দের। অনেকেই এ সময় অতিরিক্ত খেয়ে ফেলেন। যার ফলে  বদহজম, গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা বা ক্লান্তি দেখা দেয়।তবে সঠিক খাদ্য নির্বাচন, পরিমিত খাবার গ্রহণে এসব সমস্যা এড়ানো যায়। 

ইফতার শুরু হোক হালকাভাবে

দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার পর হঠাৎ ভারী বা তেলচর্বিযুক্ত খাবার না খাওয়াই ভালো। খেজুর ও পানি দিয়ে ইফতার শুরু করা উত্তম। খেজুরের প্রাকৃতিক শর্করা ও পটাসিয়াম দ্রুত শক্তি জোগায় এবং রক্তে শর্করার ভারসাম্য ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করে।

এরপর কয়েক মিনিট বিরতি নিয়ে স্যুপ, সবজির সালাদ বা ফল খেতে পারেন। এতে হজম প্রক্রিয়া ধীরে ও স্বাভাবিকভাবে শুরু হয়।

ছবি অনলাইন

রাতের খাবারে রাখুন ভারসাম্য

ইফতারের পর প্রধান খাবারে ভাতের সঙ্গে মাছ, মুরগির মাংস, ডাল ও সবজি রাখতে পারেন। খাবার ধীরে ধীরে ও ভালোভাবে চিবিয়ে খাওয়া জরুরি। এতে তৃপ্তি বাড়ে, অতিরিক্ত ক্যালরি গ্রহণও কম হয়।

ভাজাপোড়া ও মিষ্টিতে সংযম

রমজানে পিয়াজু, বেগুনি বা মিষ্টি খাবার পুরোপুরি বাদ দেওয়ার প্রয়োজন নেই, তবে পরিমিতি বজায় রাখা জরুরি। ভাজা খাবারের বদলে বেকড বা গ্রিল করা খাবার বেছে নেওয়া ভালো। ভারী সিরাপযুক্ত মিষ্টির পরিবর্তে তাজা ফল, দইয়ের সঙ্গে সামান্য মধু বা কম চিনি দিয়ে তৈরি ঘরোয়া ডেজার্ট স্বাস্থ্যসম্মত বিকল্প হতে পারে।

ছবি অনলাইন

সেহরিতে পুষ্টিকর খাবার

সেহরিতে ওটস, ডিম, দই, ফল, বাদাম, সবজি ও গোটা শস্যজাত খাবার রাখুন। এগুলো দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখে এবং শক্তি জোগায়।

পানির সঠিক অভ্যাস

ইফতারে একসঙ্গে অনেক পানি না খেয়ে ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত ধীরে ধীরে পর্যাপ্ত পানি পান করা উচিত। এতে শরীর হাইড্রেটেড থাকে এবং অ্যাসিডিটি কমে।

ছবি অনলাইন

পরিমিত ও সুষম খাদ্যাভ্যাস বজায় রাখলে রমজানে বদহজম ও গ্যাস্ট্রিকের ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব। সচেতনতা ও নিয়মিত অভ্যাসই হতে পারে সুস্থ রোজার চাবিকাঠি।

খবরটি শেয়ার করতে নিচের বোতামগুলিতে ক্লিক করুন।

আরও খবর

বিভাগীয় সংবাদ