সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬ ২:২০ পূর্বাহ্ণ
■ ৩রা আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি ইরানের বিরুদ্ধে তৈরি করা হয়নি: তুরস্ক

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Print

নিউজ ডেস্ক,বিডিমিরর সেভেনটিওয়ান ডটকমঃ

সৌদি আরব এবং পাকিস্তানের সাথে তুরস্কের সদ্য স্বাক্ষরিত ত্রিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা চুক্তি ইরানকে লক্ষ্য করে করা হয়নি বলে নিশ্চিত করেছে তুর্কি কর্তৃপক্ষ।

শনিবার (৮ আগস্ট) তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান জানিয়েছেন, এই চুক্তিতে ইরান বা অন্য কোনো দেশকে যৌথ হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়নি।

মক্কায় শুক্রবার তুর্কি প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের মধ্যে ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তির মূল শর্ত অনুযায়ী স্বাক্ষরকারী যেকোনো একটি দেশের ওপর সশস্ত্র আক্রমণ হলে তা তিন দেশের ওপরই আক্রমণ হিসেবে গণ্য হবে।

তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, এই চুক্তিটি ন্যাটোর ‘আর্টিকেল ৫’-এর মতো যৌথ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অনুকরণে হলেও আক্রমণ হলে কোনো দেশ কী ধরনের সহায়তা পাবে তা পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করবে। সহায়তার মধ্যে গোয়েন্দা তথ্য, লজিস্টিক, গোলাবারুদ বা সেনা মোতায়েন অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।

এছাড়া সৌদি আরবে একটি স্থায়ী সচিবালয় এবং রাজনৈতিক ও সামরিক কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছে, যেখানে প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি ও সামরিক সক্ষমতা ভাগাভাগি করার বিষয়টিতে জোর দেওয়া হয়েছে।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।

ফিদান আরও জানান, এই চুক্তির প্রস্তুতি প্রায় দুই বছর আট মাস ধরে চলছিল, ফলে এটি কেবল সাম্প্রতিক ইরান উত্তেজনার প্রতিক্রিয়া নয়। এতে ভবিষ্যতে মিশরসহ অন্যান্য আঞ্চলিক দেশকে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

অন্যদিকে তুরস্কের আশ্বাসের পরেও ইরানি কর্মকর্তারা এই চুক্তির কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ইরানের পার্লামেন্টারি ন্যাশনাল সিকিউরিটি ও ফরেন পলিসি কমিশনের সদস্য মাহমুদ নাবাভিয়ান ও ইব্রাহিম রেজাই এটিকে একটি ‘কাগজি চুক্তি’ বলে আখ্যা দেন এবং রিয়াদকে নিরাপত্তার জন্য নতুন সঙ্গীদের ওপর নির্ভর না করার পরামর্শ দেন। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি সরাসরি চুক্তি নিয়ে কথা না বললেও আঞ্চলিক দেশগুলোকে নিজেদের ওপর নির্ভর করার আহ্বান জানিয়েছেন।

সূত্র: আল জাজিরা

খবরটি শেয়ার করতে নিচের বোতামগুলিতে ক্লিক করুন।

আরও খবর

বিভাগীয় সংবাদ