জুন ১৪, ২০২৬ ১০:১৭ অপরাহ্ণ
■ ৩১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মহান শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Print
ছবি অনলাইন

 

নিউজ ডেস্ক , বিডিমিরর সেভেনটিওয়ান ডটকম:

বাঙালি জাতির চিরভাস্বর আত্মত্যাগের স্মৃতিবিজড়িত মহান শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের লক্ষ্যে রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। 

শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) অমর একুশে ফেব্রুয়ারির ৭৪ বছর পূর্ণ হতে যাচ্ছে। আজ শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টা ১ মিনিটে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে দিবসের আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি শুরু হবে। রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীসহ রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ এবং সর্বস্তরের জনগণ পরম শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় ভাষাশহীদদের প্রতি স্মৃতির মিনার চত্বরে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করবেন।

শ্রদ্ধা নিবেদনের এই মহালগ্নে একুশের ভোরে সাধারণ মানুষ কালো ব্যাজ ধারণ করে প্রভাতফেরিসহকারে আজিমপুর কবরস্থানে শহীদদের কবরে শ্রদ্ধা জানাবেন। মাতৃভাষার অধিকার আদায়ের ৭৪ বছর পূর্তিতে রাজধানীজুড়ে আলোচনা সভা, সেমিনার ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

১৯৯৯ সালে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতিবিষয়ক সংস্থা (ইউনেসকো) কর্তৃক স্বীকৃতি পাওয়ার পর থেকে বিশ্বজুড়ে দিবসটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে পালিত হয়ে আসছে। বাঙালি জাতির কাছে এটি একদিকে যেমন গভীর শোক ও বেদনার দিন, অন্যদিকে মাতৃভাষার অধিকার আদায়ে সর্বোচ্চ ত্যাগের মহিমায় উজ্জ্বল এক ঐতিহাসিক দিন হিসেবে স্বীকৃত।

ছবি অনলাইন

ইতিহাসের পাতায় তাকালে দেখা যায়, ১৯৫২ সালের এই দিনে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে তৎকালীন পূর্ব বাংলার ছাত্র ও যুবসমাজ শাসকগোষ্ঠীর জারি করা ১৪৪ ধারা উপেক্ষা করে রাজপথে নেমে আসে।

মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষায় আন্দোলনরত ছাত্র-জনতার মিছিলে পুলিশ নির্বিচারে গুলি চালালে সালাম, জব্বার, শফিক, বরকত ও রফিকসহ নাম না–জানা আরও অনেকে শহীদ হন। তাদের সেই মহান আত্মত্যাগই আজ বিশ্বজুড়ে ভাষাপ্রেম ও মৌলিক অধিকার আদায়ের প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রতি বছরের মতো এবারও দিনটি উপলক্ষে বাংলাদেশে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আগামীকাল দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হবে। ভাষাশহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনায় আজিমপুর কবরস্থানে ফাতেহা পাঠ ও কোরআনখানির বিশেষ আয়োজন করা হয়েছে।

এ ছাড়া দেশের সব মসজিদ, মন্দির, গির্জা ও অন্যান্য উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হবে। দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে বাংলাদেশ বেতার ও বাংলাদেশ টেলিভিশনসহ সব স্যাটেলাইট চ্যানেলে বিশেষ অনুষ্ঠানমালা প্রচার করা হবে এবং সংবাদপত্রে প্রকাশিত হবে বিশেষ ক্রোড়পত্র।

খবরটি শেয়ার করতে নিচের বোতামগুলিতে ক্লিক করুন।

আরও খবর

বিভাগীয় সংবাদ