সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬ ১১:২০ পূর্বাহ্ণ
■ ৩রা আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর সিন্ডিকেট সরকারের গড়া-সেমিনারে জামায়াত আমির

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Print

নিউজ ডেস্ক,বিডিমিরর সেভেনটিওয়ান ডটকমঃ

মালয়েশিয়াসহ সব বৈদেশিক শ্রমবাজারে কর্মী পাঠানোর সিন্ডিকেট ভেঙে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, শুধু মালয়েশিয়া নয়, পশ্চিম এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে সমস্যা হচ্ছে। বাংলাদেশিদের বৈধ ভিসা থাকার পরও আরব আমিরাত থেকে ফেরত দেওয়া হচ্ছে। সরকারের দায়িত্ব ছিল এর সমাধান করা। তা না করে নিজেরাই বিভিন্ন জায়গায় সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘সিন্ডিকেট ও মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার: বাংলাদেশের অংশীদারিত্ব’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেছেন বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান। সেমিনার আয়োজন করে জামায়াত।

দুই বছরের বেশি সময় শ্রমবাজার বন্ধ থাকার পর গত মাসে ২৫ বাংলাদেশি রিক্রুটিং এজেন্সিকে কর্মী পাঠানোর কাজ দেয় মালয়েশিয়া। ২০১৬ এবং ২০২২ সালেও সীমিত সংখ্যক এজেন্সির মাধ্যমে কর্মী পাঠানো হয়েছিল। কাজ পাওয়া এজেন্সিগুলো পরিচিত পেয়েছিল সিন্ডিকেট নামে।
এবারও সীমিত সংখ্যক এজেন্সিকে কাজ দেওয়ায় সিন্ডিকেট হতে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। কাজ পাওয়া এজেন্সিগুলোর অধিকাংশই অপরিচিত। তাদের পেছনে বেনামে প্রভাবশালীরা রয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

২০২২ সালে কর্মীপ্রতি ৭৯ হাজার টাকা ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছিল। কিন্তু গড়ে শ্রমিকদের কাছ থেকে পাঁচ লাখ ৪৪ হাজার টাকা আদায় করা হয়। ১৭ হাজারের বেশি কর্মী সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেও মালয়েশিয়া যেতে পারেননি। সেই দুর্নীতির মামলা এখনও চলছে।
মূল প্রবন্ধে ব্যারিস্টার শাহরিয়ার কবির বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মালয়েশিয়ান নাগরিক দাতুশ্রী আমিন নূর, বায়রার সাবেক মহাসচিব রুহুল আমিন স্বপন, সালমান এফ রহমান, সাবেক মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী, সাবেক এমপি লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাসুদ, সাবেক এমপি বেনজীর আহমেদ, নিজাম হাজারী ও সাবেক বিএনপি নেতা কাজী মফিজুর রহমানকে নিয়ে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট গড়ে তোলে। নতুন ২৫ লাইসেন্স বাবদ প্রায় ৪২৫ কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে, যার ফলে অভিবাসন ব্যয় সাত থেকে আট লাখ টাকা হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
জামায়াতের নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান এমপির সভাপতিত্বে সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ব্যারিস্টার শাহরিয়ার কবির। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদের পরিচালনায় সেমিনারে বক্তৃতা করেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান এমপি, হামিদুর রহমান আযাদ, নির্বাহী পরিষদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন প্রমুখ।

খবরটি শেয়ার করতে নিচের বোতামগুলিতে ক্লিক করুন।

আরও খবর

বিভাগীয় সংবাদ