সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬ ৩:৫৫ পূর্বাহ্ণ
■ ৩রা আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সবজিতে স্বস্তি নেই, বেড়েছে মুরগির দাম

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Print
ছবি-অনলাইন

নিউজ ডেস্ক,বিডিমিরর সেভেনটিওয়ান ডটকমঃ

রাজধানীতে বেড়েছে সবজির দাম। পাশাপাশি চাল ও মুরগির দামও সাধারণ ক্রেতাদের ক্রয় ক্ষমতার নাগালের বাইরে রয়েছে। গত সপ্তাহের তুলনায় মুরগির দাম কেজিতে সর্বনিম্ন ১০ টাকা ও সর্বোচ্চ ৫০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। তবে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে চাষের মাছের দামে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে নিত্যপণ্যের দামের এমন চিত্র দেখা গেছে।

বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, যেসব পণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক, সেটার দাম একটু কম। এছাড়া যেগুলো নতুন সবজি ও পচনশীল, সেগুলোর দাম সিন্ডিকেটের কারণে বেড়েছে।

রাজধানীর মুরগির বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ১০-৫০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে প্রতি কেজি সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৪৩০-৪৫০ টাকায়।

এছাড়া ব্রয়লার মুরগির বিক্রি হচ্ছে ১৯০-২০০ টাকা কেজি। অপরদিকে গরুর মাংসের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকা।
ডিমের দামে কিছুটা ওঠানামা থাকলেও সামগ্রিকভাবে দাম নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। প্রতি ডজন ফার্মের মুরগির ডিম বিক্রি হচ্ছে ১০৫ থেকে ১১০ টাকায়।

গত সপ্তাহে এই দাম ছিল প্রায় ১০০ টাকা। এর আগে ছিল ১০৫ টাকা এবং মাঝামাঝি সময়ে নেমে এসেছিল ৯৫ টাকায়।
বিক্রেতারা বলছেন, সরবরাহের তারতম্যের কারণে ডিমের দামে একটু ওঠানামা করছে। তবে হাঁসের ডিমের দাম এখনো বেশি। প্রতি হালি হাঁসের ডিম বিক্রি হচ্ছে প্রায় ৭০ টাকায়।

এদিকে, মাছের বাজারে সামগ্রিকভাবে দাম বেশি থাকলেও কয়েক ধরনের চাষের মাছ ক্রেতাদের দিচ্ছে স্বস্তি। বাজারে প্রতি কেজি পাঙাস মাছ বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ২১০ টাকায়। চাষের মাগুর মাছ ১৫০-২০০ টাকায়। আকারভেদে তেলাপিয়া মাছ বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ২৪০ টাকায়।

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে ব্রয়লার মুরগি কিনতে আসা এক বেসরকারি চাকরিজীবী বলেন, রমজানের সময় মুরগির দাম অনেক বেশি ছিল। এখনো সেই একই অবস্থা। সেই সঙ্গে সবজির দামও বেশি। তাই সংসার চালাতে একটু অসুবিধা হচ্ছে।

বাজারে সরবরাহ সংকটের অভিযোগ তুলে সব ধরনের চালের কেজিতে বেড়েছে ৫-৭ টাকা। অন্যদিকে আগের বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে ভোজ্যতেল।

এছাড়া বাজারগুলোতে গ্রীষ্মকালীন সবজির মধ্যে বরবটি কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে ৮০ টাকা, বেগুন প্রকারভেদে ১০ টাকা বেড়ে ৬০ থেকে ৮০ টাকা, কচুর লতি ৮০ টাকা, করলা ৬০ থেকে ৮০ টাকা, ঢেঁড়স ৬০ থেকে ৭০ টাকা, পটল ৬০ থেকে ৮০ টাকা, কচুরমুখী ৮০ থেকে ১০০ টাকা, সাজনা ৮০ থেকে ১০০ টাকা ও ধুন্দল ৬০ থেকে ৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

অপরদিকে কাঁচামরিচ ১০০ থেকে ১২০ টাকা কেজি, পেঁপে ৪০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৪০ টাকা, দেশি শসা ৬০ টাকা ও হাইব্রিড শসা ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এসব বাজারে এক হালি লেবু ৩০ থেকে ৪০ টাকা, দেশি ধনেপাতা কেজি ১৮০ টাকা, হাইব্রিড ধনেপাতা ১০০ থেকে ১২০ টাকা, পুদিনা পাতা ২০০ টাকা কেজি, কাঁচা কলার হালি ৪০ টাকা ও চাল কুমড়া ৫০ টাকা পিস দরে বিক্রি হচ্ছে।

খবরটি শেয়ার করতে নিচের বোতামগুলিতে ক্লিক করুন।

আরও খবর

বিভাগীয় সংবাদ