সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬ ১:৪৩ পূর্বাহ্ণ
■ ৩রা আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সরকারি দলের নারী এমপির ডিও ছাড়া বিরোধী এমপিদের সুপারিশ আটকে দেওয়া হচ্ছে

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Print

নিউজ ডেস্ক,বিডিমিরর সেভেনটিওয়ান ডটকমঃ
নির্বাচিত এলাকার উন্নয়নকাজে স্থানীয় সংসদ সদস্যের (এমপি) ডিও লেটার বা চাহিদাপত্র উপেক্ষা করে সংরক্ষিত নারী আসনের এমপির সুপারিশকে গুরুত্ব দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন রাজশাহী-১ আসনের জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কমিটি গঠনেও প্রশাসনিক অসহযোগিতার অভিযোগ করেছেন তিনি।

এ বিষয়ে সংসদে বিশেষ অধিকার ক্ষুণ্নের দুটি নোটিশ দিয়েছিলেন মুজিবুর রহমান। তবে বিষয়টি সংসদের হস্তক্ষেপের উপযোগী নয় উল্লেখ করে নোটিশ দুটি নাকচ করে দিয়েছেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল।

রোববার জাতীয় সংসদের বৈঠকে কার্যপ্রণালি বিধির ১৬৪ বিধিতে পাওয়া বিশেষ অধিকার ক্ষুণ্নের প্রশ্নের নোটিশ নিষ্পত্তির সময় এ সিদ্ধান্ত জানান ডেপুটি স্পিকার।

প্রথম নোটিশে মুজিবুর রহমান বলেন, সংবিধান ও সংসদের কার্যপ্রণালি বিধিতে সংসদ সদস্যদের অধিকার রক্ষার কথা বলা হয়েছে। তার নির্বাচনী এলাকার রাস্তাঘাট, স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার উন্নয়নের জন্য তিনি শতাধিক ডিও লেটার দিয়েছিলেন। কিন্তু সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তাকে জানিয়েছে, সরকারি দলের সংরক্ষিত নারী আসনের এমপির ডিও লেটার ছাড়া নির্বাচিত এমপির সুপারিশ আমলে নেওয়ার সুযোগ নেই।

এ ঘটনাকে নির্বাচিত সংসদ সদস্যের অধিকার লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করে স্পিকার ও প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।

দ্বিতীয় নোটিশে মুজিবুর রহমান অভিযোগ করেন, তার নির্বাচনী এলাকার ৫২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডির সভাপতি নিয়োগের জন্য শতাধিক সুপারিশপত্র বা ডিও লেটার জমা দিয়েও কোনোটি বাস্তবায়ন করা হয়নি। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সরকারি দলের সদস্যদের ‘সন্ত্রাসের ভয়ে’ কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছেন না বলেও দাবি করেন তিনি।

এমন পরিস্থিতিতে দায়িত্ব পালন করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে উল্লেখ করে নিজের হারানো অধিকার ফিরে পাওয়ার দাবি জানান জামায়াতের এই সংসদ সদস্য।

নোটিশ দুটি নিয়ে ডেপুটি স্পিকার তার পর্যবেক্ষণে বলেন, নির্বাচনী এলাকার উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাস্তবায়ন করা সব জনপ্রতিনিধির লক্ষ্য। নির্বাচিত ও সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য- উভয়েই এ ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখতে পারেন।

তিনি বলেন, ‘একই এলাকায় একজনকে বেশি গুরুত্ব দিয়ে অন্যজনকে যেন গুরুত্বহীন না করা হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সকলে দৃষ্টি রাখবেন।’

তবে আইনি ব্যাখ্যা দিয়ে কায়সার কামাল বলেন, বিষয়টি সংসদের হস্তক্ষেপের উপযোগী নয়। ফলে কার্যপ্রণালি বিধির ১৬৫-এর উপবিধি (৪) অনুযায়ী বিশেষ অধিকার ক্ষুণ্নের প্রশ্ন হিসেবে এটি গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি। এ কারণে নোটিশ দুটি নাকচ করে দেওয়া হয়।

খবরটি শেয়ার করতে নিচের বোতামগুলিতে ক্লিক করুন।

আরও খবর

বিভাগীয় সংবাদ