সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬ ৭:০৭ পূর্বাহ্ণ
■ ৩রা আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সেনাবাহিনীর ভূমিকা এখন পর্যন্ত প্রশংসনীয়: জামায়াত আমির

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Print
ছবি অনলাইন

 

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান নির্বাচনের মাঠে এখন পর্যন্ত সেনাবাহিনীর পেশাদারিত্ব ও কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর মিরপুরে আয়োজিত এক জরুরি ব্রিফিংকালে তিনি মন্তব্য করেন, সেনাবাহিনী যদি ভোটগ্রহণের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত বর্তমানের মতো দৃঢ় ও নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করে, তবে জাতি একটি সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচন উপহার পাবে।

তিনি উল্লেখ করেন, দেশের মানুষ দীর্ঘ দেড় যুগ ধরে তাদের ভোটাধিকারসহ মৌলিক অধিকারগুলো থেকে বঞ্চিত ছিল। এই নির্বাচনের মাধ্যমেই জনগণ তাদের হারানো অধিকার ফিরে পাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

নির্বাচনী পরিস্থিতির বর্ণনা দিতে গিয়ে জামায়াত আমির জানান, ঢাকা-১৫ আসনে সার্বিকভাবে ভোটগ্রহণ স্বাভাবিক থাকলেও মিরপুর মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় বালিকা শাখা কেন্দ্রে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন যে, সেখানে হঠাৎ করে কিছু প্রতিদ্বন্দ্বী পক্ষের লোকজন সাধারণ ভোটারদের মনে ভয়ভীতি সঞ্চার করেছে এবং অনেককে শারীরিকভাবে নাজেহাল করা হয়েছে।

এ ছাড়া তিনি দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিএনপির কর্মী-সমর্থকদের বিরুদ্ধে ভোটকেন্দ্র দখল ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগ তোলেন। তিনি দাবি করেন, বিভিন্ন স্থানে প্রার্থীর গায়ে হাত দেওয়ার মতো ঘটনাও ঘটেছে, তবে সেনাবাহিনীর সময়োচিত হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি পুনরায় নিয়ন্ত্রণে আসে।

ডা. শফিকুর রহমান সুনির্দিষ্টভাবে লাকসাম ও ভোলার লালমোহন এলাকার উদাহরণ টেনে বলেন যে, সেখানে বিএনপির দলীয় লোকজন নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় সরাসরি হস্তক্ষেপ করছে। তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, যদি কোনো ধরনের জাল-জালিয়াতি বা অনিয়মের মাধ্যমে সরকার গঠিত হয়, তবে সেই সরকারের সাথে জনগণের কোনো আত্মিক সম্পর্ক বা বৈধতা থাকবে না।

ছবি অনলাইন

জনগণের প্রকৃত রায় যাতে প্রতিফলিত হয়, সে জন্য তিনি প্রশাসন ও নিরাপত্তা বাহিনীকে আরও কঠোর হওয়ার আহ্বান জানান। বিশেষ করে ঢাকার বাইরে যেখানে অনিয়মের খবর পাওয়া যাচ্ছে, সেখানে দ্রুত সেনাবাহিনী পাঠানোর দাবি জানান তিনি।

ব্রিফিংয়ের শেষ পর্যায়ে তিনি তার নিজ আসনসহ সারাদেশে জামায়াতের নেতাকর্মীদের ধৈর্য ধারণ করে শেষ পর্যন্ত ভোটকেন্দ্র পাহারা দেওয়ার নির্দেশ দেন। তিনি মনে করেন, সাধারণ ভোটাররা যদি নির্ভয়ে কেন্দ্রে এসে ভোট দিতে পারেন, তবে অপশক্তির পরাজয় নিশ্চিত।

সেনাবাহিনীর ওপর জনগণের অগাধ আস্থা রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই আস্থার মর্যাদা রক্ষা করে একটি ঐতিহাসিক নির্বাচন উপহার দেওয়া এখন সময়ের দাবি। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, দিন শেষে একটি স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য ফলাফলের মাধ্যমে দেশের গণতান্ত্রিক যাত্রা নতুন মাত্রা পাবে।

খবরটি শেয়ার করতে নিচের বোতামগুলিতে ক্লিক করুন।

আরও খবর

বিভাগীয় সংবাদ