সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬ ৫:৩০ পূর্বাহ্ণ
■ ৩রা আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১১-দলীয় জোটই সরকার গঠন করবে: কর্নেল অলি

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Print
ছবি অনলাইন

রাজনীতি ডেস্ক , বিডি মিরর সেভেনটি ওয়ান ডটকম

লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ বীর বিক্রম দেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে তার দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকালে চট্টগ্রাম-১৪ সংসদীয় আসনের চন্দনাইশ সদর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ শেষে তিনি সাংবাদিকদের জানান যে, আগামীতে ১১-দলীয় ঐক্যজোটই রাষ্ট্রক্ষমতায় আসবে এবং সরকার গঠন করবে। চন্দনাইশ ও সাতকানিয়ার মানুষ সঠিক সিদ্ধান্ত নেবে বলে মন্তব্য করার পাশাপাশি তিনি তার ছেলে ও এলডিপি প্রার্থী ওমর ফারুকের বিপুল বিজয়ের ব্যাপারেও নিশ্চয়তা প্রকাশ করেন।

ভোটকেন্দ্রের পরিবেশ নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে সাবেক এই সামরিক কর্মকর্তা জানান যে, এখন পর্যন্ত কোনো কেন্দ্র দখলের খবর পাওয়া যায়নি এবং গত তিন দিন ধরে নির্বাচনী এলাকাগুলোতে মোটামুটি শান্ত ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিরাজ করছে। তবে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তুলে বলেন যে, বিভিন্ন গ্রামে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী জসিমের পক্ষ থেকে টাকা বিতরণের চেষ্টা করা হয়েছে।

কর্নেল অলি দাবি করেন, এই অর্থ বিতরণের ঘটনায় জড়িত অনেককে ইতিমধ্যে সেনাবাহিনী ও পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘জনগণ হয়তো অন্য পক্ষ থেকে টাকা নিতে পারে, কিন্তু ভোট দেওয়ার সময় তারা সঠিক সিদ্ধান্তই নেবেন এবং ওমর ফারুকের সঙ্গে কেউ বেইমানি করবে না।’

উল্লেখ্য যে, কর্নেল অলি আহমেদ চট্টগ্রাম-১৪ আসনের ভোটার হলেও তার ছেলে ওমর ফারুক ‘ছাতা’ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন চট্টগ্রাম-১৩ আসনে। সেখানে ওমর ফারুকের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে রয়েছেন বিএনপির জসিম উদ্দিন আহমেদ, স্বতন্ত্র বা বিদ্রোহী প্রার্থী মিজানুল হক চৌধুরী এবং শফিকুল ইসলাম রাহী।

অলি আহমেদ মনে করেন, চট্টগ্রাম-১৩ ও ১৪ উভয় আসনেই ১১-দলীয় জোট সমর্থিত প্রার্থীরা শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছেন এবং সাধারণ মানুষের রায় তাদের পক্ষেই যাবে। একটি সুন্দর ও স্বচ্ছ প্রশাসন গড়ে তুলতে এমন একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের বিকল্প নেই বলেও তিনি তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন।

দীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন এই নেতা বিশ্বাস করেন যে, ভোটাররা সজাগ থাকলে কোনো ধরনের কারচুপি বা টাকার প্রভাব কাজ করবে না। তিনি নির্বাচনের সামগ্রিক ব্যবস্থাপনায় প্রশাসনের ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং ভোট গণনার শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন।

চন্দনাইশ ও সাতকানিয়া এলাকার মানুষের রাজনৈতিক সচেতনতার ওপর ভরসা রেখে তিনি পুনরায় ১১-দলীয় জোটের সরকার গঠনের আশাবাদ পুনর্ব্যক্ত করেন।

খবরটি শেয়ার করতে নিচের বোতামগুলিতে ক্লিক করুন।

আরও খবর

বিভাগীয় সংবাদ