সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬ ৭:০৭ পূর্বাহ্ণ
■ ৩রা আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘আ. লীগের রাষ্ট্রপতিকে নিয়ে শ্রদ্ধা জানানো পিলখানা হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে মশকরা ছাড়া কিছুই নয়’

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Print
ছবি অনলাইন

রাজনীতি ডেস্ক , বিডিমিরর সেভেনটিওয়ান ডটকম:

যে আওয়ামী লীগ পরিকল্পনা করে পিলখানা হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, সেই আওয়ামী লীগের রাষ্ট্রপতিকে সাথে নিয়ে শহীদ বীরদের শ্রদ্ধা জানানো পিলখানা হত্যাকাণ্ডকে মশকরা করা ছাড়া কিছুই নয় বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে এক পোস্টে একথা লেখেন সারজিস। সারজিস আলমের স্ট্যাটাসটি ইত্তেফাক ডিজিটালের পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো।

এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম লিখেছেন, ‘এটাই ছিল ২০২৬ সালের নির্বাচনের চিত্র! বিএনপি যখন মাঠ পর্যায়ে গিয়ে দেখল এককভাবে তারা কখনোই জাতীয় নির্বাচনে জিততে পারবেনা এবং সরকার গঠন করা সম্ভব হবে না তখন তারা আওয়ামী লীগের দ্বারস্থ হলো। প্রত্যেকটা আসনে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী যারা আছে তাদেরকে নিয়ে গোপনে বৈঠক করল। যত অপরাধী হোক না কেন, তাদেরকে জামিন করানোর কিংবা সকল প্রকার সুযোগ সুবিধা দেওয়ার কমিটমেন্ট করল। ফলে বিএনপি, আওয়ামী লীগ, প্রশাসনের একাংশ এবং দেশের ও দেশের বাইরের কিছু এজেন্ট একসাথে মিলে এই নির্বাচন করল এবং ক্ষেত্রবিশেষে ইঞ্জিনিয়ারিং করে সরকার গঠন করল।’

সারজিস বলেন, ‘যে আওয়ামী লীগ পরিকল্পনা করে পিলখানা হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, আমার সেনাবাহিনীর অফিসারদেরকে খুন করেছে সেই আওয়ামী লীগের রাষ্ট্রপতিকে সাথে নিয়ে শহীদ বীরদের শ্রদ্ধা জানানো পিলখানা হত্যাকাণ্ডকে মশকরা করা ছাড়া কিছুই নয়।’

আওয়ামী লীগের পুনর্বাসনের দায়িত্ব বিএনপি নিয়েছে- এমন দাবি করে এই এনসিপি নেতা লিখেছেন, ‘যে আওয়ামী লীগ তারেক রহমানকে বাধ্যতামূলক নির্বাসনে পাঠিয়েছিল, ১৭ বছর দেশে আসতে দেয়নি, বেগম জিয়াকে মিথ্যা মামলায় জেলে রেখেছিল, তার শরীরকে বিষাক্ত করে তুলেছিল, হাজার হাজার বিএনপি নেতা কর্মীকে নির্যাতন করেছিল, ঘরে থাকতে দেয়নি, সেই আওয়ামী লীগের পুনর্বাসনের দায়িত্ব বিএনপি নিয়েছে।’

এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বিএনপির নেতাকর্মীদের সতর্ক করে দিয়ে লেখেন, ‘বিএনপির স্থানীয় পর্যায়ের নেতাকর্মীরা মনে রাখবেন- সময়ের পরিক্রমায় আপনারা যদি আবার আওয়ামী লীগের দ্বারা নির্যাতিত, নিপীড়িত হন তাহলে তার দায় আপনাদের নেতা তারেক রহমানকে নিতে হবে।’

সারজিস আলম হুঁশিয়ারি দেন, ‘যদি জুলাই অভ্যুত্থানে রাজপথে নামা আমাদের যেকোনো সহযোদ্ধাদেরকে আওয়ামী লীগের দ্বারা আবার খুন হতে হয় কিংবা রক্ত দিতে হয় তাহলে তার দায় তারেক রহমান এবং বিএনপিকে নিতে হবে।’

স্ট্যাটাসের একদম শেষ লাইনে সারজিস আজকের এই পদক্ষেপের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধিক্কার জানান।

ছবি অনলাইন
সারজিস আলম লিখেছেন : এটাই ছিল ২০২৬ সালের নির্বাচনের চিত্র! বিএনপি যখন মাঠ পর্যায়ে গিয়ে দেখলো এককভাবে তারা কখনোই জাতীয় নির্বাচনে জিততে পারবেনা এবং সরকার গঠন করা সম্ভব হবে না তখন তারা আওয়ামী লীগের দ্বারস্থ হলো। প্রত্যেকটা আসনে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী যারা আছে তাদেরকে নিয়ে গোপনে বৈঠক করলো। যত অপরাধী হোক না কেন, তাদেরকে জামিন করানোর কিংবা সকল প্রকার সুযোগ সুবিধা দেওয়ার কমিটমেন্ট করলো। ফলে বিএনপি, আওয়ামী লীগ, প্রশাসনের একাংশ এবং দেশের ও দেশের বাইরের কিছু এজেন্ট একসাথে মিলে এই নির্বাচন করলো এবং ক্ষেত্রবিশেষে ইঞ্জিনিয়ারিং করে সরকার গঠন করলো। যে আওয়ামী লীগ পরিকল্পনা করে পিলখানা হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে, আমার সেনাবাহিনীর অফিসারদেরকে খু*ন করেছে সেই আওয়ামী লীগের রাষ্ট্রপতিকে সাথে নিয়ে শহীদ বীরদের শ্রদ্ধা জানানো পিলখানা হত্যাকাণ্ডকে মশকরা করা ছাড়া কিছুই নয়। যে আওয়ামী লীগ জনাব তারেক রহমানকে বাধ্যতামূলক নির্বাসনে পাঠিয়েছিল, ১৭ বছর দেশে আসতে দেয় নাই, বেগম জিয়াকে মিথ্যা মামলায় জেলে রেখেছিল, তার শরীরকে বিষাক্ত করে তুলেছিল, হাজার হাজার বিএনপি নেতা কর্মীকে নির্যাতন করেছিল, ঘরে থাকতে দেয় নাই সেই আওয়ামী লীগের পুনর্বাসনের দায়িত্ব বিএনপি নিয়েছে। বিএনপির স্থানীয় পর্যায়ের নেতাকর্মীরা মনে রাখবেন- সময়ের পরিক্রমায় আপনারা যদি আবার আওয়ামী লীগের দ্বারা নির্যাতিত নিপীড়িত হন তাহলে তার দায় আপনাদের নেতা জনাব তারেক রহমানকে নিতে হবে। যদি জুলাই অভ্যুত্থানে রাজপথে নামা আমাদের যেকোনো সহযোদ্ধাদেরকে আওয়ামী লীগের দ্বারা আবার খু*ন হতে হয় কিংবা রক্ত দিতে হয় তাহলে তার দায় জনাব তারেক রহমান এবং বিএনপিকে নিতে হবে। জনাব তারেক রহমানকে আজকের এই পদক্ষেপের জন্য ধিক্কার জানাই।

 

পরে ওই স্ট্যাটাসের কমেন্ট বক্সে সারজিস লিখেছেন, ‘এভাবে বিএনপির কিছু শীর্ষ নেতৃত্ব বিগত ১৬ বছর আওয়ামী লীগের সাথে নেগোসিয়েশন করে চলেছিল বলেই বিএনপির মত এত বড় একটা দল তিনবারের ভোট চুরির পরেও আওয়ামী লীগের বিন্দুমাত্র কিছু করতে পারে নাই। মানুষ তাদের ওপরে আস্থা রেখে রাজপথে নামে নাই। আর মাঠ পর্যায়ে বিএনপির সাধারণ নেতাকর্মীরা ঘরে থাকতে পারে নাই, মিথ্যা মামলায় বছরের পর বছর জেলে কাটিয়েছে, পরিবারকে বঞ্চিত করেছে।’

খবরটি শেয়ার করতে নিচের বোতামগুলিতে ক্লিক করুন।

আরও খবর

বিভাগীয় সংবাদ