সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬ ১১:৫১ পূর্বাহ্ণ
■ ৪ঠা আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছেছে জ্বালানিবাহী ৮টি জাহাজ

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Print
ছবি অনলাইন

নিউজ ডেস্ক , বিডিমিরর সেভেনটিওয়ান ডটকম: মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি আমদানিতে অনিশ্চয়তার মধ্যে স্বস্তির খবর দিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। রোববার (৮ মার্চ) সকালে কুতুবদিয়া ও মহেশখালী জলসীমায় তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) এবং তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) বোঝাই আটটি জাহাজ এসে পৌঁছেছে।

বন্দর সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম নিশ্চিত করেছেন যে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি হরমুজ প্রণালি বন্ধ হওয়ার আগেই এই জাহাজগুলো ঝুঁকিপূর্ণ জলপথটি অতিক্রম করতে পেরেছিল।

আগত জাহাজগুলোর মধ্যে কাতার থেকে পাঁচটি এলএনজিবাহী বড় কার্গো এসেছে। এর মধ্যে ফ্রান্সের পতাকাবাহী ‘আল জুর’ ৬৩ হাজার ৩৮৩ ইউনিট, গ্রিসের ‘আল জাসাসিয়া’ ৬৩ হাজার ৭৫ ইউনিট এবং বাহামার পতাকাবাহী ‘লুসাইল’ ৬২ হাজার ৯৮৭ ইউনিট এলএনজি নিয়ে এসেছে। এ ছাড়া লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী ‘আল গালায়েল’ ও ‘লেব্রেথাহ’ যথাক্রমে ৫৭ হাজার ৬৬৫ এবং ৬২ হাজার ইউনিট এলএনজি নিয়ে বাংলাদেশের জলসীমায় অবস্থান করছে। এই জাহাজগুলোর স্থানীয় এজেন্সির দায়িত্বে রয়েছে ইউনিগ্লোবাল।

ছবি অনলাইন

এলপিজি আমদানির ক্ষেত্রে ওমানের সোহার বন্দর থেকে পানামার পতাকাবাহী দুটি জাহাজ বন্দরে এসেছে। ‘এলপিজি সেভান’ ২২ হাজার ১৭২ ইউনিট এবং ‘জি ওয়াইএমএম’ ১৯ হাজার ৩১৬ ইউনিট এলপিজি বহন করে নিয়ে এসেছে। এই জাহাজ দুটি পরিচালনার দায়িত্বে আছে ইউনিক মেরিটাইম।

এ ছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ বন্দর থেকে ৫ হাজার ১৯ ইউনিট এমইজি নিয়ে লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী ‘বে ইয়াসু’ নামের আরও একটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে নোঙর করেছে।বন্দর সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ২৮ ফেব্রুয়ারির আগে রওনা দেওয়া জাহাজগুলো দেশে পৌঁছালেও এরপর মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন বন্দরে অনেক জ্বালানিবাহী জাহাজ আটকা পড়েছে।

পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে দেশে প্যানিক বায়িং রোধে এবং মজুত ঠিক রাখতে শুক্রবার থেকে পেট্রোল পাম্পগুলোতে জ্বালানি বিক্রির নির্দিষ্ট সীমা বা রেশনিং ব্যবস্থা চালু করেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)।

খবরটি শেয়ার করতে নিচের বোতামগুলিতে ক্লিক করুন।

আরও খবর

বিভাগীয় সংবাদ