সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬ ২:২১ পূর্বাহ্ণ
■ ৩রা আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মহাসড়কে বেড়েছে ডাকাতি, আতঙ্কে যাত্রী-চালকরা

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp
Print

নিউজ ডেস্ক,বিডিমিরর সেভেনটিওয়ান ডটকমঃ

কুমিল্লায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ডাকাতির ঘটনা বেড়েছে। এই মহাসড়কটির অন্তত ছয় স্থানে অহরহ ঘটছে ডাকাতি।

ফলে আতঙ্কে রয়েছে এই ‍রুটের যাত্রী ও পরিবহনসংশ্লিষ্টরা। স্থানীয়দের অভিযোগ, রাত ১০টার পর থেকে সংযোগ সড়ক এবং মহাসড়কের কিছু অংশে সংঘবদ্ধ ডাকাতচক্র সক্রিয় হয়ে ওঠে। সুযোগ পেলেই তারা কখনো গাছের গুঁড়ি, লোহার রড, ইট-পাথর কিংবা অন্য কোনো বাধা সৃষ্টি করে যানবাহন থামায়। আবার কখনো যাত্রীবাহী বাস, মাইক্রোবাস কিংবা ব্যক্তিগত গাড়িকে অনুসরণ করে নির্জন স্থানে নিয়ে লুটপাট করে থাকে।

এতে শুধু যাত্রীদের অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রীই নয়, অনেক সময় তাদের জীবনও ঝুঁকির মুখে পড়ছে। ফলে রাতের বেলা দূরপাল্লার যাত্রায় অনেকে আতঙ্ক নিয়ে চলাচল করছেন।

পরিবহনসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, ডাকাতির ঘটনা ঠেকাতে সড়ক ও মহাসড়কে নিয়মিত টহল বাড়ানোর পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলো চিহ্নিত করে বিশেষ নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে পর্যাপ্ত আলোকসজ্জা, সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, সন্দেহজনক যানবাহন ও ব্যক্তিদের ওপর নজরদারি বাড়ানো দরকার এবং ডাকাতচক্রের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক অভিযান চালালে ডাকাতের উৎপাত কমে যাবে।

স্থানীয় লোকজন জানায়, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে দাউদকান্দি উপজেলার রায়পুর, ইলিয়টগঞ্জ, গোমতা, চান্দিনার মাধাইয়া, সদর দক্ষিণ উপজেলার বিভিন্ন অংশে অহরহ ডাকাতির ঘটনা ঘটছে। প্রাইভেট কার, মাইক্রোবাস ও প্রবাসফেরত লোকজন তাদের প্রধান টার্গেট।

সূত্র জানায়, মহাসড়কের দাউদকান্দি থেকে চৌদ্দগ্রাম পর্যন্ত এসব ডাকাত বিভিন্ন জায়গায় অবস্থান করে থাকে। বিভিন্ন স্টেশন এলাকায় বাসা ভাড়া করে তারা ঘাপটি মেরে আছে। বিশেষ করে ইলিয়টগঞ্জ, মাধাইয়া, চান্দিনা, নিমসার, ময়নামতি ও পদুয়ার বাজার এলাকায় অর্ধশতাধিক ডাকাত সদস্য বাসা ভাড়া করে থাকে।

পুলিশের একাধিক সূত্র জানায়, রাতের আঁধারে বিভিন্ন ভাড়া বাড়িতে তারা এক হয়ে গোপন বৈঠক করে। পুলিশি ঝামেলা এড়াতে তারা দেশীয় মোবাইল সিমের পরিবর্তে বিদেশি সিম নম্বর ব্যবহার করে। তা ছাড়া বিভিন্ন অ্যাপ ব্যবহার করে ডাকাতির মিশন এবং যোগাযোগ রক্ষা করে।

দাউদকান্দি হাইওয়ে থানার ওসি ইকবাল বাহার মজুমদার গণমাধ্যমকে বলেন, তারা ডাকাতি প্রতিরোধে নিয়মিত টহল জোরদার করেছেন। ডাকাতদলের সদস্যদের পেলেই গ্রেপ্তার করা হয়।

খবরটি শেয়ার করতে নিচের বোতামগুলিতে ক্লিক করুন।

আরও খবর

বিভাগীয় সংবাদ