তিনি বলেন, আগামী দিনে তরুণদের হাতে কেমন বাংলাদেশ তুলে দেওয়া হবে, তার সিদ্ধান্ত হবে এই হ্যাঁ ও না ভোটে। ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে তরুণরা পাবে একটি নতুন, বৈষম্যহীন বাংলাদেশ।
অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, জুলাই সনদ কালো কালিতে লেখা হলেও মূলত এটি লেখা হয়েছে জুলাই আন্দোলনে শহীদদের রক্ত দিয়ে। এই জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে হলে গণভোটে হ্যাঁ বলতে হবে।
তিনি বলেন, গণভোটে কোনো ব্যক্তিকে ভোট দেওয়া হচ্ছে না। জনগণ যদি হ্যাঁ বলে, তবে কোনো রাজনৈতিক দলেরই ক্ষমতা থাকবে না সংস্কার আটকে রাখার। দীর্ঘ ষোলো বছর ধরে জনগণের টাকা লুটপাট হয়েছে। গণভোটে হ্যাঁ ভোট দিলে অনেক ক্ষেত্রে এই লুটপাট ও দুর্নীতি বন্ধ হবে।
তিনি ভবিষ্যতের বিষয়ে সতর্ক করে বলেন, ‘বাংলাদেশে যাতে আবার কোনো ফ্যাসিবাদ তৈরি না হয়, সে জন্য আমাদের সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। গণভোট সেই সজাগ থাকার অন্যতম হাতিয়ার।’
সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দারসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।







